এই রমা একাদশী সম্পর্কে জানবার জন্য একদা এক সময়ে মহারাজ যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে বলেছিলেন – হে জনার্দন! কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষ তিথিতে যে একাদশী পালন করা হয়ে থাকে সেই একাদশীর নাম কি এবং এই একাদশী ব্রত পালনের মাহাত্ম্য আমাকে কৃপা করে সবিস্তারে অবগত করুণ।

তখন শ্রীকৃষ্ণ বললেন : হে রাজন! কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষ তিথিতে যে একাদশী পালন করা হয়ে থাকে তাকে রমা একাদশী বলা হয়ে থাকে। এই রমা একাদশী পালনের মাধ্যমে আমাদের সর্ব পাপ দূর হয়ে থাকে। আমি এখন এই ব্রত পালনের মাহাত্ম্য বলতে চলেছি আপনি ভক্তিভরে মন দিয়ে শ্রবণ করুণ। এই ব্রত পালনের মাহাত্ম্য শ্রবণের মাদ্ধমেও পাপ দূরীভূত হয়ে থাকে।

অনেক বছর পূর্বে সুপ্রসিদ্ধ একজন রাজা ছিলেন যার নাম ছিলো মুচুকুন্দ। এই রাজার সাথে অনেক বড় বড় ব্যাক্তিদের বন্ধুত্ব ছিলো তারা হলেন দেবরাজ ইন্দ্র, ধনপতি কুবের, বরুণ এবং যম। এছাড়াও রাজার সাথে আরো একজনের সদ্ভাব ছিলো তিনি হলেন ভক্তশ্রেষ্ঠ বিভীষণ।

রাজা সব সময়ের জন্যই সৎ পথে চলতেন, এছাড়াও তিনি একজন প্রাণপ্রিয় বিষ্ণুভক্ত ছিলেন। তিনি সব সময়ের জন্যই ধর্মীয় অনুসারে তার রাজ্য শাসন করতেন। রাজার একটি খুব সুন্দর মেয়ে ছিলো যার নাম ছিলো চন্দ্রভাগা।

রাজার তার কন্যা স্বাবলম্ভি হবার পর তার কন্যার সাথে চন্দ্রসেনের পুত্র শোভনের বিবাহ দিয়েছিলেন। বিবাহের কিছু দিন পর শোভন তার শ্বশুর বাড়িতে ঘুরতে এসেছিলেন। কিন্তু সেই দিন ছিলো একাদশী তিথি (দৈবক্রমে)।

স্বামীর প্রথম দেখাতেই স্বামীপরায়ণা চন্দ্রভাগা চিন্তা করতে লাগলেন, আমার স্বামী এতো পথ অতিক্রান্ত করে এসে অনেক ক্লান্ত এবং ক্ষুদার্থ। তিনি কখনোই ক্ষুদা সহ্য করতে পারেন না সেটা আমি ভালো করেই জানি।

কিন্তু আমার পিতা ধর্মের পথে চলেন, আর এটার জন্য তিনি একাদশীর দশমীর দিনে রাজ্যের সকল ব্যাক্তিকে আহার নিষিদ্ধ করে থাকেন। এখন আমি কি করবো।

যখন শোভন বাজ্যের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সবিস্তারে জ্ঞাত হলেন তখন তার স্ত্রীকে বললেন – হে প্রিয়তমা! আমি তোমার পিতার নির্দেশ সম্পর্কে অবগত হয়েছি, এখন আমার কার্য কি সেটা আমাকে বলো।

উত্তরে চন্দ্রভাগা বললেন – হে স্বামি। আজ একাদশী তিথি আর এটার জন্য এই গৃহ সহ এই রাজ্যের সকল ব্যাক্তিকে অনাহারে থাকতে হবে। এছাড়াও একাদশী তিথিতে এই রাজ্যের কোন পশুপাখিকেও অন্ন জল মাত্র প্রদান করা হয় না সেখানে ব্যাক্তি তো অনেক দূরের কথা।

আপনি কখনো ক্ষুদা সহ্য করতে পারেন না সেটা আমি ভালো করেই জানি। আর এই সমস্যা থেকে পরিত্রানের জন্য আপনি নিজগৃহে প্রত্যাবর্তন করুণ। তাছাড়া আপনি যদি এখানে অবস্থান করে আহার গ্রহণ করেন তাহলে আপনি সকলের কাছে নিন্দার পাত্র হবেন এবং পিতাও অনেক রাগান্বিত হবেন, আর এটা আমি কখনোই চাই না। আপনি সকল বিষয় বিবেচনা করে আপনার বিচারে যেটা করা ভালো সেটিই করবেন।

স্ত্রীর কথা শুনে শোভন বললেন – হে প্রিয়তমা ! আমি কিছু সময় নিয়ে সকল বিষয় ভেবে দেখে আমি এখানে থাকবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি নিজগৃহে প্রত্যাবর্তন করছি না। আমি এখানে থেকেই একাদশী ব্রত পালন করবো। ভাগ্যে যেটা আছে সেটা তো হবেই।

আর এভাবেই একাদশী ব্রত পালনে শোভন বদ্ধপরিকর হয়েছিলেন। দিনের সকল সময় অতিবাহিত হবার পর যখন সন্ধা হয়ে থাকে তখন বৈষ্ণবদের কাছে এই রাত্রী অত্যন্ত মধুর এবং আনন্দ দায়ক হয়ে থাকে। কিন্তু ওদিকে শোভন ক্ষুধা এবং তৃষ্ণায় দুর্বল থেকে অতি দুর্বল হতে থাকলেন।

আর এভাবেই সম্পূর্ণ রাত্রী অতিবাহিত হবার ফলে সূর্যোদয় কালে তার মৃত্যু হয়। তখন চন্দ্রভাগা অনেক ভেঙ্গে পড়েন। এদিকে রাজা মুচুকুন্দ শোভনকে অনেক জাঁকজমক ভাবে তার শবদাহ কার্য সম্পাদন করলেন। তারপর পিতার নির্দেশে চন্দ্রভাগা পিতার গৃহে অবস্থান করতে থাকলেন।

শোভন যে একাদশী ব্রত পালন করে ছিলেন সেই একাদশীর নাম ছিলো রমা একাদশী। আর এই রমা একাদশী ব্রত পালনের মাধ্যমে কালক্রমে শোভন অনুপম সুন্দরী এক রমনীর দেবপুরী প্রাপ্ত করেন, আর সেই দেবপুরী ছিলো মন্দরাচল শিখরে।

তারপর একদা এক সময় ঐ মুচুকুন্দ রাজার রাজ্য থেকে একজন ব্রাহ্মণ তীর্থভ্রমণ করতে করতে মন্দরাচল শিখরে দেবপুরীতে উপস্থিত হন। ঐ ব্রাহ্মণের নাম ছিলো সোমশর্ম্মা। ব্রাহ্মণ ঐ স্থানে গিয়ে রাজা শোভনকে দেখলেন, তিনি একটি বিচিত্র রত্নালঙ্কার দ্বারা আবৃত সিংহাশনে রত্নালঙ্কারে ভূষিত ছিলেন।

ব্রাহ্মণ আরো দেখলেন গন্ধর্ব এবং সুন্দর অস্পরাগণ তার বিভিন্ন উপাচারে পূজিত করছেন। রাজা মুচুকুন্দের জামাতা এবং চন্দ্রভাগার স্বামী হিসাবে শোভন ব্রাহ্মণকে দেখে আসন থেকে উঠে এসে ব্রাহ্মণের চরণ বন্ধনা করলেন।

ব্রাহ্মণকে দেখে তার শ্বশুর, স্ত্রী সহ রাজ্যের সকল প্রজাদের কুশলবার্তা জিজ্ঞাসা করলেন। ব্রাহ্মণ তখন সকল বার্তা তাকে প্রদান করলেন। তারপর ব্রাহ্মণ তার এমন সুন্দর স্থান প্রাপ্ত হবার কথা জানতে চাইলে শোভন তাকে জানালেন।

কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষ তিথিতে যে একাদশী পালন করা হয় সেই একাদশীর নাম হলো রমা একাদশী, এই একাদশী অন্য সকল ব্রতের মদ্ধে সর্বশ্রেষ্ঠ। আমি এই রমা একাদশী ব্রত ভক্তি ভরে পালনের মাধ্যমে এই ফল লাভ করেছি। শোভন সেই ব্রাহ্মণকে কৃপা করে তার সকল ঘটনা স্ত্রী চন্দ্রভাগাকে জানাতে বললেন।

তার পর সেই ব্রাহ্মণ কুচুকুন্দ রাজ্যে ফিরে এসে চন্দ্রভাগার কাছে সকল ঘটনা এবং তার স্বামীর ঐ ফল লাভের কথা সবিস্তারে বর্ণনা করলেন। তখন চন্দ্রভাগা ব্রাহ্মণকে বললেন, আপনার সকল বক্তব্য আমার কাছে স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে।

ব্রাহ্মণ বললেন আমি আপনার স্বামীকে সচক্ষে দেখেছি। আমি সেই অগ্নিদেবের মতো দিপ্তি মান নগরী নিজের পায়ে হেটে হেটে পরিদর্শণ করেছি। কিন্তু তার নগর কখনো এক স্থানে থাকে না। আপনি এই সমস্যা সমাধানের জন্য রমা একাদশী ব্রত ভক্তিভরে পালন করুণ।

ব্রাহ্মণের সকল কথা শুনে চন্দ্রভাগা বললেন : আপনার কথা মতো আমি ভক্তি ভরে রমা একাদশী ব্রত পালন করবো। কিন্তু তাকে দেখতে আমার একান্তই ইচ্ছা করছে, আপনি আমাকে তার কাছে নিয়ে চলুন।

তখন ব্রাহ্মণ চন্দ্রভাগাকে সঙ্গে নিয়ে বামদেবের আশ্রমে উপস্থিত হলেন। এই বামদেবের আশ্রম মন্দরা পর্বতে অবস্থিত। ঐ আশ্রমে থাকা ঋষির কৃপা এবং হরিবাসর ব্রত পালনের মাধ্যমে চন্দ্রভাগা দিব্য শরীর লাভ করে স্বামীর নিকট উপস্থিত হলেন। প্রীয় স্ত্রীকে দেখে শোভন অনেক আনন্দিত হলেন। বহু বছর পর স্বামীকে দেখে তার মনের মদ্ধে থাকা সকল কথা একে একে বলতে লাগলেন।

তিনি তার রমা একাদশী পালনের কথা বললেন। তিনি আরো বললেন আমি পিতৃগৃহে অবস্থান কালে আপনার এই নগর স্থির এবং মহা প্রলয় পর্যন্ত অক্ষত রাখবার জন্য আমি রমা একাদশী ব্রত ভক্তি ভরে পালন করতাম। অবশেষে শোভনের সেই নগর স্থির হলো এবং তারা একত্রে ঐ নগরীতে বসবাস করতে থাকলেন এবং দিব্য সুখ লাভ করতে থাকলেন।

শ্রীকৃষ্ণ যুধিষ্ঠিরকে বললেন : হে মহারাজ! আমি আপনার কাছে পাপনাশিনী ও ভক্তিমুক্তি রমা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করলাম। যিনি এই একাদশী ব্রত ভক্তি সহকারে পালন করেন এবং ব্রত মাহাত্ম্য পড়েন কিংবা শ্রবণ করেন তিনি সকল পাপ থেকে মুক্তি পেয়ে বিষ্ণুলোকে পূজিত হবেন।

তাই আমাদের সকলকে এই রমা একাদশী ব্রত ভক্তি ভরে পালন করা অত্যাবর্ষক।

একাদশী পালনের নিয়মাবলী

একাদশীর মূল কাজ হল– নিরন্তর ভগবানকে স্মরণ করা । তাই আপনারা যে নিয়মে, যে সময়ে পালন করুন না কেন, ভগবানকে ভক্তিভরে স্মরণ করাই যেন আপনারই মূল কাজ হয়। আমরা একাদশী পালনের সাত্ত্বিক নিয়মটি উল্লেখ করছি । এটি পালন করা সবার উচিত ।

১। সমর্থ পক্ষে দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার করিবেন।
২। তা হতে অসমর্থ পক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার।
৩। যদি উহাতেও অসমর্থ হন, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করতঃ ফল মূলাদি অনুকল্প গ্রহণের বিধান রহিয়াছে।

সমর্থ পক্ষে রাত জাগরণের বিধি আছে , গোড়ীয় ধারায় বা মহান আচার্য্যবৃন্দের অনুমোদিত পঞ্জিকায় যে সমস্ত একাদশী নির্জলা ( জল ব্যতীত ) পালনের নির্দেশ প্রদান করেছেন । সেগুলি সেমতে করলে সর্বোওম হয় । নিরন্তর কৃষ্ণভাবনায় থেকে নিরাহার থাকতে অপারগ হলে নির্জলাসহ অন্যান্য একাদশীতে কিছু — সবজি , ফলমূলাদি গ্রহণ করতে পারেন । যেমন — গোল আলু , মিষ্টি আলু , চাল কুমড়ো , পেঁপে , টমেটো, , ফুলকপি ইত্যাদি সবজি ঘি অথবা বাদাম তৈল দিয়ে রান্না করে ভগবানকে উৎসর্গ করে আহার করতে পারেন । হলুদ, মরিচ, ও লবণ ব্যবহার্য । আবার অন্যান্য আহায্য যেমন — দুধ ,কলা , আপেল , আঙ্গুর, আনারস, আখঁ, আমড়া শস্য, তরমুজ, বেল, নারিকেল, মিষ্টি আলু , বাদাম ও লেবুর শরবত ইত্যাদি ফলমূলাদি খেতে পারেন।

 

একাদশীতে পাচঁ প্রকার রবিশস্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছেঃ

১। ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – চাউল,মুড়ি, চিড়া, সুজি, পায়েশ, খিচুড়ি, চাউলের পিঠা, খৈ ইত্যাদি
২। গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – আটা,ময়দা, সুজি , বেকারীর রূটি , বা সকল প্রকার বিস্কুট ,হরলিকস্ জাতীয় ইত্যাদি ।
৩। যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — ছাতু , খই , রূটি ইত্যাদি ।
৪। ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — মুগ মাসকলাই , খেসারী , মসুরী, ছোলা অড়রহ , ফেলন, মটরশুটি, বরবটি ও সিম ইত্যাদি ।
৫। সরিষার তৈল , সয়াবিন তৈল, তিল তৈল ইত্যাদি । উপরোক্ত পঞ্চ রবিশস্য যেকোন একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয় ।

উল্লেখ্য যারা সাত্ত্বিক আহারী নন এবং চা , বিড়ি / সিগারেট পান কফি ইত্যাদি নেশা জাতীয় গ্রহণ করেন, একাদশী ব্রত পালনের সময়কাল পর্যন্ত এগুলি গ্রহণ না করাই ভালো ।

একাদশী করলে যে কেবলমাত্র নিজের জীবনের সদ্ গতি হবে তা নয় । একাদশী ব্যক্তির প্রয়াত পিতা / মাতা নিজ কর্ম দোষে নরকবাসী হন , তবে সেই পুত্র ই (একাদশী ব্রত ) পিতা – মাতাকে নরক থেকে উদ্ধার করতে পারে । একাদশীতে অন্ন ভোজন করলে যেমন নরকবাসী হবে , অন্যকে ভোজন করালেও নরকবাসী হবে । কাজেই একাদশী পালন করা আমাদের সকলেরই কর্তব্য ।

একাদশী পারণ (একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙ্গার পর নিয়ম ):

পঞ্জিকাতে একাদশী পারণের ( উপবাসের পরদিন সকালে ) যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে , সেই সময়ের মধ্যে পঞ্চ রবিশস্য ভগবানকে নিবেদন করে, প্রসাদ গ্রহণ করে পারণ করা একান্ত দরকার । নতুবা একাদশীর কোন ফল লাভ হবে না । একাদশী ব্রত পালনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কেবল উপবাস করা নয় , নিরন্তর শ্রীভগবানের নাম স্মরণ , মনন , ও শ্রবণ কীর্তনের মাধ্যমে একাদশীর দিন অতিবাহিত করতে হয় । এদিন যতটুকু সম্ভব উচিত । একাদশী পালনের পরনিন্দা, পরিচর্চা, মিথ্যা ভাষণ, ক্রোধ দুরাচারী, স্ত্রী সহবাস সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ ।

একাদশীতে নিষিদ্ধ বিষয়াবলীঃ

১. একাদশী ব্রতের আগের দিন রাত ১২ টার আগেই অন্ন ভোজন সম্পন্ন করে নিলে সর্বোওম ।
২. ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাঁশ করে দাঁত ও মুখ গহব্বরে লেগে থাকা সব অন্ন পরিষ্কার করে নেওয়া সর্বোওম । সকালে উঠে শুধু মুখ কুলি ও স্নান করতে হয়।
৩. একাদশীতে সবজি কাটার সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন কোথাও কেটে না যায় । একাদশীতে রক্তক্ষরণ বর্জনীয় । দাঁত ব্রাশঁ করার সময় অনেকের রক্ত ক্ষরণ হয়ে থাকে । তাই একাদশীর আগের দিন রাতেই দাঁত ভালো ভাবে ব্রাশঁ করে নেওয়াই সর্বোওম ।
৪. একাদশীতে চলমান একাদশীর মাহাত্ন্য ভগবদ্ভক্তের শ্রীমুখ হতে শ্রবণ অথবা সম্ভব না হলে নিজেই ভক্তি সহকারে পাঠ করতে হয় ।
৫. যারা একাদশীতে একাদশীর প্রসাদ রান্না করেন , তাদের পাচঁ ফোড়ঁন ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিৎ ।কারণ পাঁচ ফোড়ঁনে সরিষার তৈল ও তিল থাকতে পারে যা বর্জনীয় ।
৬. একাদশীতে শরীরে প্রসাধনী ব্যবহার নিষিদ্ধ । তৈল ( শরীরে ও মাথায় ) সুগন্ধি সাবান শেম্পু ইত্যাদি বর্জনীয় ।
৭. সকল প্রকার ক্ষৌরকর্ম — শেভ করা এবং চুল ও নক কাটা নিষিদ্ধ ।

সোর্সঃ ইন্টারনেট এর বিভিন্ন মাধ্যম