১. রং-বেরং-এর বিডস দিয়ে নাইলনের তারে বেঁধে তৈরি করতে পারেন সুন্দর নেকলেস। সেইসঙ্গে মাঝখানে একটি লকেট যোগ করলে মন্দ হয় না।

২. মার্বেল দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি তা দিয়ে বানানো যেতে পারে নিত্যনতুন গয়না। এর জন্য আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম পেয়ে যেতে পারেন নিউ মার্কেট বা ফ্যান্সি মার্কেটে।

৩. মেটাল ব্যাঙ্গেল পড়তে একঘেয়ে লাগে। একটু বুদ্ধি খাটালেই ব্যাঙ্গেলেও আনতে পারেন বৈচিত্র। কাঠের ব্যাঙ্গেলের উপর রঙীন কাপড় বা লেস জড়িয়ে তার উপরে মোতি দিয়ে জড়িয়ে দিলেই ব্যাঙ্গেল তৈরি।

৪. বাড়িতে পুরনো পয়সা পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে? সেগুলি ফেলে না রেখে বানিয়ে ফেলতে পারেন ট্রেন্ডি ব্রেসলেট।

৫. সম্পূর্ণ কাগজ দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন একজোড়া কানের দুল। তবে হ্যাঁ বৃষ্টির দিনে এই দুল পরে যেন ভুলেও বাইরে বেরোবেন না।

৬. সাধারণত বাজারে যে সমস্ত কানের দুল পাওয়া যায়, তার উপরেও এক্সপেরিমেন্ট করতে পারেন কিছু নতুনত্ব। এখানে যেমন মেটালের কানের দুলের উপর ছোট ছোট মানানসই রঙীন বিডস লাগিয়ে কানের দুলটিকে আরও ফ্যাশনেবল্ করে তোলা হয়েছে।

৭. টিয়ারা আজকের দিনে একটি ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। দোকান থেকে না কিনে বাড়িতে বসেই বানিয়ে নিতে পারেন। এজন্য লাগবে কাগজের ফুল, যা যে কোনও আর্ট অ্যান্ড ক্রাফ্ট শপে পেয়ে যাবেন বা বাড়িতে বসেও বানিয়ে নিতে পারেন। এর পর একটি তারের উপর রঙিন কাপড় জড়িয়ে নিয়ে, তার উপর ফুলগুলি লাগিয়ে নিলেই টিয়ারা তৈরি।

৮. ছোট ছোট কাঠের টুকরো একসঙ্গে বেঁধে তার উপর মানানসই রংয়ের মোতি লাগিয়ে একসঙ্গে রঙীন তারে বেঁধে নিলেই তৈরি সুন্দর হার।

৯. মার্বেল দিয়ে বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন কানের দুল, যা ওয়েস্টার্ন ড্রেসের সঙ্গে চমৎকার মানাবে।

সব মিলিয়ে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, এই উৎসবের আসল লক্ষ্যই হল কল্যাণ কামনা। তার সঙ্গে জুড়ে রয়েছে নানা কাহিনি, নানা কথা, নানা রীতি ও উপচার। আর সেই কল্যাণ কামনা থেকেই ভাইফোঁটা আজ এক সামাজিক উৎসব।